Page Nav

HIDE

Grid

GRID_STYLE

Hover Effects

TRUE
{fbt_classic_header}

Header Ad

ব্রেকিং নিউজ

latest

Ads Place

কালাইয়ে কিডনি কেনাবেচা ৫ শতাধিক ছাড়িয়েছে

জয়পুরহাটে এতো কিছুর পরেও থেমে নেই কিডনি কেনাবেচা চক্রের অপতৎপরতা। স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঝিমিয়ে পড়ার সুযোগে দালালদের পাতানো ফাঁ...

জয়পুরহাটে এতো কিছুর পরেও থেমে নেই কিডনি কেনাবেচা চক্রের অপতৎপরতা। স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ঝিমিয়ে পড়ার সুযোগে দালালদের পাতানো ফাঁদে পা দিয়ে গ্রামের গরিব মানুষগুলো ভালো থাকার আশায়, দাদন ব্যবসায়ীদের চাপে, মেয়ের বিয়ের খরচ যোগাতে, জুয়া খেলার টাকা সংগ্রহ করতে শরীরের মূল্যবান সম্পদ কিডনি ঢাকাসহ বিভিন্ন দেশে গিয়ে তা বিক্রি করছেন। এ সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫ শতাধিকে।

২০১১ সালের ২৯ আগস্ট কিডনি বিক্রির খবর গণমাধ্যমে প্রচার হলে নড়েচড়ে বসে স্থানীয় প্রশাসন। এ নিয়ে থানায় ৪টি মামলা হলে স্থানীয়সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ডজন খানেকের বেশি দালালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তারা জামিনে বেরিয়ে এসে আবারও সক্রিয় ও বেপরোয়া হয়ে ফিরেছে পুরোনো পেশায়।


এলাকাবাসী জানান, একে তো রয়েছে পুরোনো দালাল। আবার কিডনি বিক্রেতারাও পরবর্তীতে পরিণত হচ্ছেন দালালে। এভাবে দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে বর্তমানে কিডনি বিক্রির সংখ্যা ৫ শতাধিক ছাড়িয়েছে। দালালদেরও প্রলোভনে পড়ে কিডনি বিক্রি করেও পাচ্ছেন না ন্যায্য দাম। এতে অভাব তো যাচ্ছেই না, তার ওপর শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে কিডনি বিক্রেতারা হারাচ্ছেন কর্মক্ষমতা।


জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার কিডনি বিক্রেতা কুসুমসাড়া গ্রামের কারিনা ও মোস্তফা, মদনাহার গ্রামের আজিজুল ইসলাম বলেন, মেয়ে বিয়ের অর্থের প্রয়োজনে কিডনি বিক্রি করেছি। আরও অনেকেই কিডনি বিক্রির লাইনে আছে। আবার অনেকেই বাড়িতে তালা ঝুলিয়ে স্ব-পরিবারে এলাকা ছাড়া।


কালাই উপজেলা চেয়ারম্যান মিনফুজুর রহমান মিলন জানান, শত চেষ্টাতেও কিডনি বিক্রি আর দালালদের দৌরাত্ম বন্ধ করা যাচ্ছে না। পেছনে অদৃশ্য শক্তির হাত রয়েছে।


জয়পুরহাট জেলা পুলিশ সুপার মো. মাছুম আহম্মদ ভূঞা জানান, কিডনি বিক্রি ও দাদালদের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


রাশেদুজ্জামান।

কোন মন্তব্য নেই

Ads Place